মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬,
১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, সারাদেশে থাকবেন ১০৫১ ম্যাজিস্ট্রেট

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে রোববার থেকে সারাদেশে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি বাস্তবায়নে কাজ করবেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান। তখন তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী ভোট-পরবর্তী সময়সহ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে এবং দায়িত্ব পালন করবে।

মাঠের পরিস্থিতি বর্তমানে নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা নিশ্চিত করেছেন যে দেশের পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক।

ইসি জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রভেদে নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনে ভিন্নতা আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য থাকবেন। দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ২৫টি জেলার দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে ১৬-১৮ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর আগে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

আত্রাইয়ে অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ও ঢেউটিন বিতরণ

মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, সারাদেশে থাকবেন ১০৫১ ম্যাজিস্ট্রেট

প্রকাশের সময় : ০৫:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে রোববার থেকে সারাদেশে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি বাস্তবায়নে কাজ করবেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান। তখন তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী ভোট-পরবর্তী সময়সহ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে এবং দায়িত্ব পালন করবে।

মাঠের পরিস্থিতি বর্তমানে নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা নিশ্চিত করেছেন যে দেশের পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক।

ইসি জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রভেদে নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনে ভিন্নতা আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য থাকবেন। দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ২৫টি জেলার দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে ১৬-১৮ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর আগে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে হবে।