সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬,
২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থী আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মূল পরীক্ষার্থী ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

শনিবার (৪ জুলাই) পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বারিন্দা গ্রামের মো. জাহিদ হাসান (২১) এবং তার পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একই উপজেলার দেওনাপাড়া গ্রামের বিপ্লব বর্মন (২০)।

জানা যায়, মো. জাহিদ হাসানের পরিবর্তে বিপ্লব বর্মন প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের সন্দেহ হলে তিনি পরিচয় যাচাই করে প্রক্সি পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে বিষয়টি দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূল পরীক্ষার্থী ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করেন এবং তাদের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ধারা ৩(ক) অনুযায়ী উভয়কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত দুই পরীক্ষার্থীকে ইতোমধ্যে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থী আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে দুই পরীক্ষার্থী আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ১২:১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মূল পরীক্ষার্থী ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

শনিবার (৪ জুলাই) পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বারিন্দা গ্রামের মো. জাহিদ হাসান (২১) এবং তার পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একই উপজেলার দেওনাপাড়া গ্রামের বিপ্লব বর্মন (২০)।

জানা যায়, মো. জাহিদ হাসানের পরিবর্তে বিপ্লব বর্মন প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের সন্দেহ হলে তিনি পরিচয় যাচাই করে প্রক্সি পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে বিষয়টি দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূল পরীক্ষার্থী ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে আটক করেন এবং তাদের পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর ধারা ৩(ক) অনুযায়ী উভয়কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত দুই পরীক্ষার্থীকে ইতোমধ্যে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।