বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসময়ের বৃষ্টিতে আত্রাইয়ে কমেছে সরিষার আবাদ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আত্রাইয়ে বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতার কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কম খরচে লাভ বেশি হলেও গত বছরের চেয়ে এ বছর ৮৫হেক্টর কম জমিতে সরিষা চাষ করতে পেরেছেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নে ৫হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছিল। এ বছর উপজেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার ২৪০ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও ৫হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। অসময়ে বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে এ বছর সঠিক সময়ে সরিষার বীজ বপন করতে না পারায় কৃষকেরা ভুট্টা ও সবজি চাষের দিকে ঝুঁকেছেন।

সরেজমিনে উপজেলার জামগ্রামের কৃষক আবুল বাশার, বাচ্চু, আলামিনসহ অনেকেই জানান, এ বছর অসময়ে বৃষ্টি হওয়ার কারণে জমি সরিষার চাষের উপযোগী করতে পারিনি। এ জন্য আমরা এ বছর সরিষা চাষ করতে পারি নাই। কম খরচে সরিষা উৎপাদন করে আমরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারতাম।

তারা আরো জানান, বিগত বছরে তারা সরিষা বিক্রি করেই প্রত্যেকেই অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় করেছেন। সরিষা চাষে তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম কিন্তু লাভের পরিমাণ বেশি।

আরেক কৃষক রতন বলেন, আমাদের জমি উঁচু হওয়ার কারণে সঠিক সময়ে কিছু জমিতে সরিষা চাষ করতে পেরেছি। যাদের জমি নিচু, বৃষ্টির কারণে এ বছর তারা সরিষা চাষ করতে পারে নাই। তারা বেশিরভাগ ভুট্টা ওধান চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, ‘অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষা বপন করার সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার জন্য এ বছর সরিষা চাষ কম হয়েছে। তবে উপজেলায় ভুট্টা চাষ বেড়েছে। মূলত যেসব জমিতে সরিষা চাষ করতে পারেননি; এসব জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষক ভুট্টা এবং সবজি চাষ করেছেন।’

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

অসময়ের বৃষ্টিতে আত্রাইয়ে কমেছে সরিষার আবাদ

প্রকাশের সময় : ০৯:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আত্রাইয়ে বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতার কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কম খরচে লাভ বেশি হলেও গত বছরের চেয়ে এ বছর ৮৫হেক্টর কম জমিতে সরিষা চাষ করতে পেরেছেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নে ৫হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছিল। এ বছর উপজেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার ২৪০ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও ৫হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। অসময়ে বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে এ বছর সঠিক সময়ে সরিষার বীজ বপন করতে না পারায় কৃষকেরা ভুট্টা ও সবজি চাষের দিকে ঝুঁকেছেন।

সরেজমিনে উপজেলার জামগ্রামের কৃষক আবুল বাশার, বাচ্চু, আলামিনসহ অনেকেই জানান, এ বছর অসময়ে বৃষ্টি হওয়ার কারণে জমি সরিষার চাষের উপযোগী করতে পারিনি। এ জন্য আমরা এ বছর সরিষা চাষ করতে পারি নাই। কম খরচে সরিষা উৎপাদন করে আমরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারতাম।

তারা আরো জানান, বিগত বছরে তারা সরিষা বিক্রি করেই প্রত্যেকেই অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় করেছেন। সরিষা চাষে তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম কিন্তু লাভের পরিমাণ বেশি।

আরেক কৃষক রতন বলেন, আমাদের জমি উঁচু হওয়ার কারণে সঠিক সময়ে কিছু জমিতে সরিষা চাষ করতে পেরেছি। যাদের জমি নিচু, বৃষ্টির কারণে এ বছর তারা সরিষা চাষ করতে পারে নাই। তারা বেশিরভাগ ভুট্টা ওধান চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, ‘অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষা বপন করার সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার জন্য এ বছর সরিষা চাষ কম হয়েছে। তবে উপজেলায় ভুট্টা চাষ বেড়েছে। মূলত যেসব জমিতে সরিষা চাষ করতে পারেননি; এসব জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষক ভুট্টা এবং সবজি চাষ করেছেন।’