
বাগমারায় মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ট্রাক ড্রাইভার পিতাকে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় উপজেলার গনিপির ইউনিয়নের হাসনীপুর গ্রামে।
ঘটনা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক ড্রাইভার রয়েলের স্কুল পড়ুয়া কিশোরী মেয়েকে প্রায় উত্ত্যক্ত এবং কুপ্রস্তাব দিত বকাটে একই গ্রামের মনিরের ছেলে জিদ (১৮) ।
এ বিষয়ে বকাটের পিতা-মাতাকে অবহিত করলে অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে গ্রাম থেকে দূরে পালিয়ে থাকে জিদ। ভোটের পর অবস্থা অনুকূল হলে গ্রামে ফিরে আসে বকাটে জিদ।
জিদের অপর সহযোহী মৃত আফসারের ছেলে টিকলুকে (২৮) দিয়ে রয়েল এবং তাঁর মেয়ে সহ পরিবারের সদস্যদের নামে নানা কুৎসা রটাতে থাকে। রয়েল নিষেধ করলে তাদের আরও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।
গৃহকর্তা রয়েল ট্রাক ড্রাইভার হওয়ার কারণে মাঝে মধ্যে বাড়ীর বাহিরে থাকতেন। সেই সুযোগে জানালা দরজায় গিয়ে ধাক্কাধক্কি করে বকাটেরা । প্রায় সময় মোবাইল ফোনে বিরক্ত করত। উত্যক্তের স্কিন সর্ট আছে।
ঘটনার দিন মোবাইল ফোনে কথা আছে বলে দুষ্কৃতকারীরা ভিকটিমকে ডেকে নেয়।এর পর এলোপাতাড়ি হাতুড়ি এবং ইট দিয়ে মাথা এবং কাঁধে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিম রয়েল জানান, মহাজনের দেয়া ট্রাকের টায়ার ক্রয়ের ১ লক্ষ ২০ হাজার এবং ভাড়ার আরও ৪০ হাজার টাকা সহ ছিনিয়ে নেয় জিদ ও টিকলু।
প্রত্যক্ষদর্শী তহুরা, ফরিদা, আলিয়া ভিকটিমকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে গেলে বকাটে জিদ, টিকলু সহ অপর একজন পালিয়ে যায়। অভিযুক্ত জিদের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি বলেন, বিরক্ত করার ঘটনা সঠিক নয়। আমার মাকে গালি দেয়ার কারণে টিকলু কাকার সাথে রয়েলের মারামারি হয়।
স্থানীয় প্রতিবেশীরা রয়েলকে উদ্ধার করে বাগমারা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করান। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভিকটিম জানান, চিকিৎসা শেষে অভিযোগ দেয়া হবে।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল আলমের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে কেউ ঘটনা সমন্ধে অবগত করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 

















