মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬,
২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ইরানের ৫ শর্ত 

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য চুক্তির জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই সংঘাত চলছে।

চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবেই ইরান এই কঠোর শর্তগুলো সামনে এনেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হওয়ার নিশ্চয়তা চায়। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালীতে এমন একটি নতুন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে, যার ফলে ওই কৌশলগত জলপথ কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধের দাবিও তুলেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়েছে তেহরান।

এ ছাড়া ইরান বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে জড়িত ব্যক্তি বা সাংবাদিকদের হস্তান্তর করা উচিত অথবা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এখন ইরান এ বিষয়ে ‘গুরুত্ব দিচ্ছে’।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ইরানের ৫ শর্ত 

প্রকাশের সময় : ১১:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য চুক্তির জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই সংঘাত চলছে।

চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবেই ইরান এই কঠোর শর্তগুলো সামনে এনেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হওয়ার নিশ্চয়তা চায়। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালীতে এমন একটি নতুন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে, যার ফলে ওই কৌশলগত জলপথ কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধের দাবিও তুলেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়েছে তেহরান।

এ ছাড়া ইরান বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে জড়িত ব্যক্তি বা সাংবাদিকদের হস্তান্তর করা উচিত অথবা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এখন ইরান এ বিষয়ে ‘গুরুত্ব দিচ্ছে’।