
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায় মস্কো সফর করে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে খামেইনির পাঠানো বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তারা এখন ওয়াশিংটনের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাম্পও সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের বাকি অংশও ধ্বংস করতে হতে পারে।
অন্যদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দফা শর্তসহ পারমাণবিক ও শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফেরত এবং হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের এলাকায় ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার। শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া কিংবা আলোচনায় বসার বিষয়ে অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে তেহরান।
এ ছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, তুরস্ক, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা প্রশমনের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করছে ইরান। দুই দেশের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকির মুখে একদিকে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি, অন্যদিকে কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখার চেষ্টা করছে তেহরান। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স ও অ্যাক্সিওস।
আ.আ. বিশ্ব ডেস্ক রিপোর্ট 


















