শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬,
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধামইরহাটে ছাগল নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ গ্রেপ্তার ৭

নওগাঁর ধামইরহাটে করলা খেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়েরের পর রাতভর অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আবুল কাশেম পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান।

নিহত আবুল কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকার রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), তাঁর বাবা আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার করা চাকুটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

ধামইরহাটে ছাগল নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশের সময় : ০২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাটে করলা খেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়েরের পর রাতভর অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আবুল কাশেম পক্ষের পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান।

নিহত আবুল কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে মামলার এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) এলাকার রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), তাঁর বাবা আব্দুল হাকিম (৬০), কফিল উদ্দিন (৬৫), আকলিমা বেগম (৩৫), হামিদা বেগম (৩৮), ফরিদা বেগম (৫০) ও জিয়াসমিন বেগম (২১)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার করা চাকুটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।