
দীর্ঘ আন্তর্জাতিক বিরতির নতুন সূচি জাতীয় দলগুলোর কোচদের জন্য শুরু থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়তি এই সময় কীভাবে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে আগের অভিজ্ঞতা না থাকায় কোচদের সামনে তৈরি হয়েছে নতুন এক বাস্তবতা।
জার্মানির নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ দীর্ঘ আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি দলে মোট ৪৪ জন খেলোয়াড়কে দলে ডেকেছেন। তবে নতুন এই পরিকল্পনার পরও এখন পর্যন্ত জার্মানির পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি।
নতুন সূচি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলও। চলতি সপ্তাহে তিনি বলেন, জাতীয় দল ও ক্লাবের অনুশীলন, কাজের ধরন এবং খেলার পদ্ধতিতে স্বাভাবিকভাবেই পার্থক্য থাকে। তাঁর মতে, নতুন কাঠামো সেই পার্থক্যজনিত ঝুঁকি কমানোর পরিবর্তে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও নতুন আন্তর্জাতিক সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। গত মাসে তিনি পুরোনো সূচির প্রতি নিজের পছন্দের কথা জানিয়ে বলেন, আগের কাঠামোতে খেলোয়াড়দের বিশ্রামের সুযোগ বেশি ছিল এবং সেটি খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের জন্যও তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল।
তবে নভেম্বর, মার্চ ও জুনের পরবর্তী তিনটি আন্তর্জাতিক বিরতি আগের মতোই নয় দিনের থাকবে। প্রতিটি উইন্ডোতে দুটি করে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের আন্তর্জাতিক বিরতিকে একত্র করে ১৬ দিনের একটি দীর্ঘ উইন্ডো রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা। আগামী চার বছর, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই আন্তর্জাতিক সূচি কার্যকর থাকবে।
নতুন এই কাঠামোর ফলে জাতীয় দলের কোচদের যেমন বাড়তি সময় পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি খেলোয়াড়দের বিশ্রাম, ক্লাব ও জাতীয় দলের প্রস্তুতির মধ্যে ভারসাম্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে কোচিং স্টাফদের।
আ.আ. ডেস্ক রিপোর্ট 














