মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬,
১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাড় কাঁপানো শীত আর কতদিন?

শীতের দিনে আগুন পোহানোর একটি দৃশ্য। ফাইল ছবি

শীতে কাঁপছে গোটা দেশ। যাকে বলে হাড় কাঁপানো শীত, সঙ্গে কুয়াশা। বিপর্যস্ত অসহায় এবং খেটে খাওয়া মানুষ। শহর যেমন-তেমন, গ্রামাঞ্চলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। বিশেষ করে যশোর, বাগেরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের মানুষ তীব্র শীতে একেবারেই নাস্তানাবুদ।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানাচ্ছে, দেশজুড়ে জেঁকে বসা হাড় কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহের স্থায়িত্ব আরও বেড়েছে। আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। একইসঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা কমে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় বিডব্লিউওটি।

সংস্থাটি জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ থেকে কুয়াশা সরে গিয়ে রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর রয়ে গেছে।

বিডব্লিউওটি আরও জানায়, আজ (মঙ্গলবার) রাতে কুয়াশা বেল্ট আবারও বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশা খুব বেশি সময় স্থায়ী হতে পারবে না। ফলে বুধবার (৭ জানুয়ারি) পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত রোদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে কুয়াশার দাপট তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

তাপমাত্রা আরও কমার বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কুয়াশার আস্তরণ কমে আসায় আগামী দুই দিন এসব এলাকায় রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। মাঝে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও আগামী ১০ ও ১১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তীব্র শীতের সতর্কতার বিষয়ে বিডব্লিউওটি জানায়, শৈত্যপ্রবাহের মেয়াদ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত হওয়ায় দেশজুড়ে কনকনে শীত অনুভূত হবে। বিশেষ করে দেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৬-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

আত্রাইয়ে অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ও ঢেউটিন বিতরণ

হাড় কাঁপানো শীত আর কতদিন?

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

শীতে কাঁপছে গোটা দেশ। যাকে বলে হাড় কাঁপানো শীত, সঙ্গে কুয়াশা। বিপর্যস্ত অসহায় এবং খেটে খাওয়া মানুষ। শহর যেমন-তেমন, গ্রামাঞ্চলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। বিশেষ করে যশোর, বাগেরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের মানুষ তীব্র শীতে একেবারেই নাস্তানাবুদ।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানাচ্ছে, দেশজুড়ে জেঁকে বসা হাড় কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহের স্থায়িত্ব আরও বেড়েছে। আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। একইসঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা কমে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানায় বিডব্লিউওটি।

সংস্থাটি জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ থেকে কুয়াশা সরে গিয়ে রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর রয়ে গেছে।

বিডব্লিউওটি আরও জানায়, আজ (মঙ্গলবার) রাতে কুয়াশা বেল্ট আবারও বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশা খুব বেশি সময় স্থায়ী হতে পারবে না। ফলে বুধবার (৭ জানুয়ারি) পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত রোদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে কুয়াশার দাপট তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

তাপমাত্রা আরও কমার বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কুয়াশার আস্তরণ কমে আসায় আগামী দুই দিন এসব এলাকায় রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। মাঝে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও আগামী ১০ ও ১১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তীব্র শীতের সতর্কতার বিষয়ে বিডব্লিউওটি জানায়, শৈত্যপ্রবাহের মেয়াদ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত হওয়ায় দেশজুড়ে কনকনে শীত অনুভূত হবে। বিশেষ করে দেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৬-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।