
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নবীরন বেগম (৫৫) নামে এক নারীর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আখক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৪ লাখ টাকায় মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আইনদ্দীন প্রামাণিক পাড়ায় রফিকুল মৃধার পুকুরপাড়সংলগ্ন আখক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ভাই আবজাল শেখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে দাবি করেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে এবং তারা ময়নাতদন্ত চান না। তবে পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়দের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের স্থানে একটি গর্ত ছিল এবং মাথার অংশ মাটিচাপা দিয়ে আখের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। তবে নিহতের ছেলে রাসেল শেখ বলেন, “আমার মা ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। অর্থ লেনদেন সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।”
এদিকে অভিযুক্ত রফিকুল মৃধার বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমে স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 











