
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ১২ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ২৯৩টি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ আড়াই মাসের অপেক্ষার অবসান ঘটে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অনলাইনের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ফলাফল বিবরণী বা রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।
এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে। এ জন্য HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ হিসেবে HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল পাওয়া যাবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি আরও জানিয়েছে, ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়ম ও নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি ফলাফল পাওয়া যাবে না।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
আ.আ. ডেস্ক রিপোর্ট 


















