
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাহিদ মোল্লা (২০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার জাহিদ মোল্লা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জাহিদ মোল্লাসহ কয়েকজন এক বান্ধবীর বাড়িতে যায়। পরে ওই বান্ধবীর মাধ্যমে স্কুলছাত্রীকে সেখানে ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বান্ধবীর শয়নকক্ষে তাকে জোরপূর্বক ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর জাহিদ মোল্লা তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই বাদী হয়ে শনিবার রাতে আত্রাই থানায় বান্ধবীসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রাতেই প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














