
পটুয়াখালীর দুমকিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দেলোয়ার খান (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে দুমকি থানায় মামলা করেছেন। পরে আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার পায়রা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে খানবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার।
শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, পড়ন্ত বিকেলে শিশুটি ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার সময় দেলোয়ার খান তাকে খাবার ও আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ভিটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শিশুটি বাধা দিলে একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেন এবং তার জামা ছিঁড়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়। স্থানীয় শিপন শরীফ, রাজীব, শহিদুল ও সরোয়ার আকনসহ কয়েকজন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।
এরপর মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে শিশুটি তার স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে দুমকি থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই রাতেই পুলিশ দেলোয়ার খানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে দুমকি থানায় মামলা করেন।
তবে অভিযুক্ত দেলোয়ার খান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এ কারণেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনা সাজানো হয়েছে। ৫ আগস্টের পর তার দোকানে হামলা করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন পর পুনরায় দোকানের ব্যবসা শুরু করার পর তার বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দেলোয়ার।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন জানান, রাত ৩টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় এসে অভিযোগ দিলে ওই রাতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। সকালে শিশুটির মা মামলা দায়ের করেন। পরে আটক আসামিকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 


















