
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম বালিয়াকান্দি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি মৃত মোকছেদ ফকিরের ছেলে।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি বালিয়াকান্দি থানায় মামলা করেন তার মা খোদেজা বেগম। মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রায় এক বছর ধরে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত শহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জাহিদ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রাজবাড়ী প্রতিনিধি 

















