মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

৫৪তম জাতীয় দিবস (ইদ আল ইতিহাদ) উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দির রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এটি দেশটির দীর্ঘদিনের মানবিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন।

আজ বুধবার ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্ব দেশব্যাপী বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা করে দেয়।

প্রতি বছর ঈদ, জাতীয় দিবসসহ প্রধান জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব, উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা দণ্ডিতদের এ ধরনের রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেন। এর উদ্দেশ্য হলো—ক্ষমাশীলতা, সমাজে পুনরায় একীকরণ এবং পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ২০২৫ সালের শেষের দিকে ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় আমিরাত বিপুল সংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরাও ছিলেন। এতে তারা নিজেদের জীবন পুনর্গঠন এবং পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

এই উদ্যোগ আমিরাতের শাসকের মানবিক মূল্যবোধ ও সহানুভূতির প্রতি প্রতিশ্রুতিকে জোরালোভাবে তুলে ধরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস—ইদ আল ইতিহাদ প্রতি বছর ২ ডিসেম্বর পালিত হয়। দিনটিতে ১৯৭১ সালে এক পতাকার অধীনে আমিরাতসমূহের ঐতিহাসিক ঐক্যকে স্মরণ করা হয়।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

আত্রাইয়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ অর্ধেকেরও কম

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা

প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

৫৪তম জাতীয় দিবস (ইদ আল ইতিহাদ) উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দির রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এটি দেশটির দীর্ঘদিনের মানবিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন।

আজ বুধবার ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্ব দেশব্যাপী বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা করে দেয়।

প্রতি বছর ঈদ, জাতীয় দিবসসহ প্রধান জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব, উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা দণ্ডিতদের এ ধরনের রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেন। এর উদ্দেশ্য হলো—ক্ষমাশীলতা, সমাজে পুনরায় একীকরণ এবং পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ২০২৫ সালের শেষের দিকে ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় আমিরাত বিপুল সংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরাও ছিলেন। এতে তারা নিজেদের জীবন পুনর্গঠন এবং পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

এই উদ্যোগ আমিরাতের শাসকের মানবিক মূল্যবোধ ও সহানুভূতির প্রতি প্রতিশ্রুতিকে জোরালোভাবে তুলে ধরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস—ইদ আল ইতিহাদ প্রতি বছর ২ ডিসেম্বর পালিত হয়। দিনটিতে ১৯৭১ সালে এক পতাকার অধীনে আমিরাতসমূহের ঐতিহাসিক ঐক্যকে স্মরণ করা হয়।