বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের হাতে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা, পরিবেশ রক্ষায় কুড়িগ্রামে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে কুড়িগ্রামে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়েছে। জেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে গত তিন বছরে এসব চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে ‘গ্রিন ইকো ক্লাব’।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাগেশ্বরী উপজেলার নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও নন্দনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার শতাধিক কাঁঠাল চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পিটিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ও গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা রবিউল ইসলাম।

নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম হোসেন রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সুব্রত ভট্টাচার্য, নন্দনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী, জেলা সমন্বয়ক অপর্ণা রায়, কুঞ্জ বিহারী রায় ও তমাল হোসেন এবং নাগেশ্বরী উপজেলা সমন্বয়ক সুমন চন্দ্র সেন।

গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং রিনিউ নাউ ও গ্লোবাল সিটিজেন ফর ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় গত তিন বছর ধরে জেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন করতে এসব প্রতিষ্ঠানে গঠন করা হয় গ্রিন ইকো ক্লাব।

চারা পেয়ে উচ্ছ্বসিত সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশেদ বলে, আমি খুবই খুশি। বাড়িতে গিয়ে নিজেই গাছটি রোপণ করব।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফা জানায়, আমি মায়ের সহযোগিতা নিয়ে গাছটি লাগাব।

গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন রোধ, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে প্রথম ধাপে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ। পরিবেশ দূষণ রোধে পলিথিনের যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এ সচেতনতা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

নওগাঁয় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, দুই ক্লিনিককে জরিমানা

শিক্ষার্থীদের হাতে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা, পরিবেশ রক্ষায় কুড়িগ্রামে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে কুড়িগ্রামে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়েছে। জেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে গত তিন বছরে এসব চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে ‘গ্রিন ইকো ক্লাব’।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাগেশ্বরী উপজেলার নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও নন্দনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার শতাধিক কাঁঠাল চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পিটিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ও গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা রবিউল ইসলাম।

নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম হোসেন রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সুব্রত ভট্টাচার্য, নন্দনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী, জেলা সমন্বয়ক অপর্ণা রায়, কুঞ্জ বিহারী রায় ও তমাল হোসেন এবং নাগেশ্বরী উপজেলা সমন্বয়ক সুমন চন্দ্র সেন।

গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং রিনিউ নাউ ও গ্লোবাল সিটিজেন ফর ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় গত তিন বছর ধরে জেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন করতে এসব প্রতিষ্ঠানে গঠন করা হয় গ্রিন ইকো ক্লাব।

চারা পেয়ে উচ্ছ্বসিত সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশেদ বলে, আমি খুবই খুশি। বাড়িতে গিয়ে নিজেই গাছটি রোপণ করব।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফা জানায়, আমি মায়ের সহযোগিতা নিয়ে গাছটি লাগাব।

গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন রোধ, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে প্রথম ধাপে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ। পরিবেশ দূষণ রোধে পলিথিনের যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এ সচেতনতা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।