
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ১৪ হাজারের বেশি নতুন শিক্ষকের পদায়ন নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সোমবার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের পদায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বদলি স্থগিত থাকবে। নতুন শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন হলে আবার বদলি কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে তখন বর্তমান নীতিমালা অনুসরণ করা হবে, নাকি নতুন পদ্ধতি চালু হবে—তা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, উপবৃত্তিসহ প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়েও সরকার নজর দিচ্ছে। ভবিষ্যতে উপবৃত্তি আরও বেশি প্রয়োজনভিত্তিক ও আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শক্তিশালী করা হচ্ছে। শিক্ষা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে এখনও বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোরসহ অনেক মানুষ শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
কক্সবাজারে বাস্তবায়িত SKILFO প্রকল্পের আওতায় ৬ হাজার ৮২৫ জন কিশোর-কিশোরীকে মৌলিক সাক্ষরতা ও প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় ৫ হাজার ১২০ জন ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরীকে কার্যকর সাক্ষরতা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।
এ কার্যক্রমে নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জনের মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন কম্পিটেন্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন কোনো না কোনো ধরনের জব লিংকেজ পেয়েছে। এর মধ্যে ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে, ১ হাজার ৩০৪ জন উদ্যোক্তা হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
আমাদের আত্রাই ডেস্ক রিপোর্ট 

















